পরিসেবা
আমাদের পরিসেবা
মানসম্মত শিক্ষা ও শিক্ষার্থী সেবা
মানসম্মত শিক্ষা
কার্যকর পাঠদান, নিয়মিত নির্দেশনা এবং একটি সহায়ক শিক্ষণ পরিবেশের মাধ্যমে আমরা শিক্ষার একটি বলিষ্ঠ ভিত্তি গড়ে তুলি, যা প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে তাদের লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করে।
অভিজ্ঞ শিক্ষকবৃন্দ
আমাদের নিবেদিতপ্রাণ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের প্রতি ব্যক্তিগত মনোযোগ দেন, তাদের কৌতূহলকে উৎসাহিত করেন এবং পুরো শিক্ষাজীবন জুড়ে তাদের সঠিক নির্দেশনা প্রদান করেন।
স্মার্ট ও ইন্টারঅ্যাক্টিভ শিক্ষা
শিক্ষাকে শিক্ষার্থীদের কাছে আরও আকর্ষণীয়, ব্যবহারিক ও আনন্দদায়ক করে তুলতে আমরা মিথস্ক্রিয়ামূলক ও কার্যকলাপ-ভিত্তিক শিক্ষণ পদ্ধতিকে উৎসাহিত করি।
সহ-পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম
শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশের লক্ষ্যে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সৃজনশীল কার্যক্রম, প্রতিযোগিতা এবং অন্যান্য আয়োজনে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা হয়।
নিরাপদ ও যত্নশীল পরিবেশ
আমরা একটি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল, বন্ধুত্বপূর্ণ ও যত্নশীল স্কুল-পরিবেশ প্রদান করি, যেখানে শিক্ষার্থীরা আত্মবিশ্বাসের সাথে শিখতে পারে এবং ইতিবাচক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে পারে।
শিক্ষার্থীর সামগ্রিক বিকাশ
আমাদের মনোযোগ কেবল পড়াশোনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। আমরা শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস, শৃঙ্খলাবোধ, সৃজনশীলতা, নেতৃত্বগুণ এবং দায়িত্বশীল নাগরিকত্ব বিকাশে সহায়তা করি।
শিক্ষা
এখানে পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদের পাঠ্যক্রম কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়, যাতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা সরকারি পাঠ্যসূচির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে। বাংলা ও ইংরেজি—উভয় ভাষাতেই শিক্ষার্থীদের দক্ষতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এগুলোর ওপর সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত, সরকারি পাঠ্যসূচির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জিং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়, যা তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে সহায়তা করে। প্রতিটি বিষয়ের জন্য দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক নিয়োগ করা হয়, যারা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ জাগিয়ে তুলতে সাহায্য করেন। এছাড়া, নিয়মিত মূল্যায়ন, আধুনিক শিক্ষাদান পদ্ধতি এবং অত্যন্ত অনুকূল শিক্ষণ পরিবেশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করা হয়।
পরীক্ষা
বছরে দুবার প্রধান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মোট ২০০ নম্বরের (প্রথম পরীক্ষার জন্য ১০০ এবং চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য ১০০) ওপর প্রাপ্ত নম্বরের শতাংশের ভিত্তিতে পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়।
এর পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষে ৩০টি সাপ্তাহিক পরীক্ষা নেওয়া হয়, যার মধ্যে সর্বোচ্চ ২০টি পরীক্ষার ফলাফল বিবেচনায় নেওয়া হয়।
মোট নম্বরের অন্তত ৫০% (লোয়ার নার্সারি থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত), ৪০% (পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত) এবং ৩৫% (নবম ও দশম শ্রেণি) নম্বর না পেলে কোনো শিক্ষার্থীকে পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীত করা হবে না।
পরীক্ষার উত্তরপত্র ফেরত দেওয়া হয় না। সাপ্তাহিক পরীক্ষার ফলাফল দেখে নেওয়ার দায়িত্ব শিক্ষার্থী বা অভিভাবকের।
তবে, কোনো শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বর নিয়ে কোনো সন্দেহ বা আপত্তি থাকলে, সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে উত্তরপত্র দেখানো বা তা পুনর্বিবেচনা করা যেতে পারে।
স্মার্ট ক্লাস
আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতি অনুযায়ী ‘স্মার্ট ক্লাস’ ও ‘প্রজেকশন ক্লাস’-এর সুবিধা প্রদান করে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য শেখার প্রক্রিয়াকে সহজ ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ডিজিটাল শিক্ষার মাধ্যমে জটিল বিষয়গুলোকে সহজ ও বোধগম্যভাবে উপস্থাপন করা হয়, যাতে শিক্ষার্থীরা দ্রুত তা আয়ত্ত করতে পারে এবং দীর্ঘ সময় মনে রাখতে পারে। প্রতিটি বিষয়ের জন্য অডিও-ভিজ্যুয়াল বা দৃশ্য-শ্রাব্য উপকরণ ব্যবহার করা হয়, যা শিক্ষার্থীদের আগ্রহ, মনোযোগ এবং শেখার প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণ বাড়াতে সহায়তা করে।
পাশাপাশি, শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে অনলাইন শিক্ষার ব্যবস্থাও রয়েছে, যার ফলে তারা যেকোনো সময় ও যেকোনো স্থান থেকে তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে। শিক্ষার্থীদের জন্য লাইভ ক্লাস, রেকর্ড করা লেকচার, অনলাইন পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় পাঠ্য-উপকরণ এবং শিক্ষকদের সাথে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিশেষ পরিস্থিতিতে—যেমন লকডাউন বা অসুস্থতার কারণে অনুপস্থিতি—বিকল্প অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থা চালু থাকে, যাতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় কোনো ব্যাঘাত না ঘটে বা তারা পিছিয়ে না পড়ে। শিক্ষাদানের এই আধুনিক পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য আরও দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী এবং প্রযুক্তি-বান্ধব হয়ে উঠতে সহায়তা করে।
অন্যান্য পরিষেবা
শিক্ষার্থীদের জন্য কম্পিউটার দক্ষতা, ছবি আঁকা, সঙ্গীত, নাটক, আবৃত্তি, বাদ্যযন্ত্র, যোগব্যায়াম এবং অন্যান্য বিভিন্ন কার্যক্রম শেখার সুযোগ রয়েছে। প্রতিটি অতিরিক্ত বিষয়ের জন্য পরীক্ষাও নেওয়া হয় এবং সনদপত্র প্রদান করা হয়।

🖥️ কম্পিউটার

🎨 ছবি আঁকা

🎤 গান গাওয়া

🧘 যোগব্যায়াম

🎭 নাটক

🪶 কবিতা
পত্রিকা / দেয়াল পত্রিকা
‘সত্যযুগ’ পত্রিকা / দেয়াল পত্রিকা
‘সত্যযুগ’ পত্রিকা বা দেয়াল পত্রিকা বছরে একবার প্রকাশিত হয় এবং বিশেষ উপলক্ষগুলোতে এর বিশেষ সংখ্যাও প্রকাশ করা হয়। এই পত্রিকা প্রকাশের মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল লেখার প্রতি আগ্রহী করে তোলা এবং তাদের মেধা বিকাশের ও তা সবার সামনে তুলে ধরার সুযোগ করে দেওয়া।
প্রতি বছর বার্ষিক উৎসবের সময় এই পত্রিকাটি বিশেষভাবে প্রকাশিত হয়; এতে শিক্ষার্থীরা তাদের নিজেদের হাতে লেখা কবিতা, গল্প, ছড়া, গান, প্রবন্ধ, রম্যরচনা, চিত্রকর্ম এবং অন্যান্য সৃজনশীল কাজ উপস্থাপন করে। এটি কেবল একটি পত্রিকা নয়, বরং শিক্ষার্থীদের নিজস্ব চিন্তা ও ভাবনার বহিঃপ্রকাশ ঘটানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এটি তাদের সৃজনশীল ক্ষমতার বিকাশে অনুপ্রাণিত করে এবং সাহিত্য ও শিল্পের প্রতি ভালোবাসা জাগিয়ে তোলে।
শিক্ষামূলক ও বিকাশমূলক কার্যক্রম
১. পি.এল.এস. ক্লাস

'পিউপিল লাইভস স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম'-এর লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসী ও দক্ষ ব্যক্তি হিসেবে গড়ে তোলা, যারা বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম। এটি ১০ দিনব্যাপী ২০ ঘণ্টার একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, যেখানে প্রতিদিন দুই ঘণ্টার সেশন পরিচালিত হয়। এতে বিশেষজ্ঞ প্রশিক্ষকরা ব্যক্তিত্বের বিকাশ, সমস্যা সমাধান, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং নেতৃত্বের দক্ষতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। এই কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত ও সামাজিক বিকাশে সহায়তা করে।
২. শিক্ষার্থী-যুব সম্মেলন

স্বামী বিবেকানন্দের একনিষ্ঠ অনুসারী সন্ন্যাসীদের আমাদের প্রতিষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়; তাঁরা বক্তৃতা ও প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মানসিক ও আধ্যাত্মিক বিকাশে সহায়তা করেন। এই আয়োজনগুলো শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করে এবং তাদের নৈতিকতা ও জীবনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে গভীর ধারণা প্রদান করে। স্বামীজির আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে তারা চরিত্র গঠন, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং সমাজের কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করার অনুপ্রেরণা লাভ করে।
৩. টি.এল.এম. (TLM) প্রশিক্ষণ

শিক্ষার্থীরা শিক্ষণ-শিখন সামগ্রী (TLM) তৈরির ক্ষেত্রে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ পায়; এতে তারা সহজলভ্য ও স্বল্পমূল্যের উপকরণ ব্যবহার করে সৃজনশীল উপায়ে বিভিন্ন শিক্ষামূলক সহায়ক সামগ্রী প্রস্তুত করে। এই প্রক্রিয়াটি তাদের হাতে-কলমে কাজ করার দক্ষতা ও সৃজনশীলতার বিকাশে সহায়তা করে। এছাড়া, পাঠ্যক্রমের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ শিক্ষণ-শিখন সামগ্রীও প্রস্তুত করা হয়, যা পাঠদান প্রক্রিয়ায় কার্যকর ভূমিকা রাখে এবং শিক্ষণকে আরও আকর্ষণীয় ও সহজে বোধগম্য করে তোলে।

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবা
প্রতিষ্ঠানটি তার শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা-সংক্রান্ত বিষয়গুলোর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে। শিক্ষার্থীরা যাতে সুস্থ থাকে এবং প্রয়োজনে যথাযথ সেবা পায়, তা নিশ্চিত করতে নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা সহায়তা প্রদানের জন্য প্রতিষ্ঠানে একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক রয়েছেন। এছাড়া, জরুরি প্রয়োজনে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ১ কিলোমিটারের মধ্যে একটি সরকারি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রও (Government Primary Health Centre) অবস্থিত। শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের দায়িত্ব প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের। সামান্য অসুস্থতা বা আঘাতের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। তবে কোনো শিক্ষার্থীর শারীরিক অবস্থা গুরুতর হলে কিংবা বিশেষায়িত চিকিৎসার প্রয়োজন হলে, তার পিতামাতা বা অভিভাবকদের বিষয়টি জানানো হয় এবং পরবর্তী চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণের জন্য তাঁদের ওপর নির্ভর করা হয়। প্রতিষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী, প্রয়োজনে টেলিফোনের মাধ্যমে পিতামাতা বা অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগ করা হতে পারে অথবা শিক্ষার্থীর শারীরিক অবস্থা নিয়ে সরাসরি আলোচনার জন্য তাঁদের প্রতিষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে। শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও নিরাপদ রাখা এবং তাদের যথাযথ যত্ন নিশ্চিত করা প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি প্রতিটি শিক্ষার্থীর সামগ্রিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পুষ্টিকর খাবার, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি এবং পরিচ্ছন্নতার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

পুষ্টি ও খাদ্য
শিক্ষার্থীদের পুষ্টি, স্বাস্থ্য এবং বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের লক্ষ্যে একটি সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করা হয়। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, শাকসবজি এবং ডাল সঠিক পরিমাণে অন্তর্ভুক্ত থাকে, যাতে শিক্ষার্থীরা তাদের বৃদ্ধি ও সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানগুলো পায়। ঋতুভেদে খাবারের তালিকায় পরিবর্তন আনা হয়, ফলে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরণের মৌসুমি ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের সুযোগ পায়। বিশেষ কোনো উপলক্ষ বা উদযাপনের সময় সুস্বাদু ও লোভনীয় নানা পদের আয়োজন করা হয়, যাতে শিক্ষার্থীরা খাবারের ক্ষেত্রে একটি আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারে। তবে, চিকিৎসকের পরামর্শ বা অনুমোদন ছাড়া অভিভাবকরা শিক্ষার্থীদের জন্য বাইরে থেকে কোনো অতিরিক্ত খাবার সরবরাহ করতে পারবেন না। কোনো বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্য অভিভাবকরা যদি সবার জন্য খাবার নিয়ে আসেন, তবে তা অবশ্যই প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে। খাবারের সময় উপস্থিত অভিভাবকরাও প্রয়োজনীয় কুপন সংগ্রহ করে সেই খাবার গ্রহণ করতে পারেন। নিরামিষভোজী শিক্ষার্থীদের খাদ্যাভ্যাস ও পুষ্টির চাহিদা যথাযথভাবে পূরণের জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রতিটি শিক্ষার্থীর সামগ্রিক স্বাস্থ্য ও বিকাশের কথা বিবেচনা করে প্রতিষ্ঠানটি স্বাস্থ্যকর, পুষ্টিকর এবং তৃপ্তিদায়ক খাবার পরিবেশনের জন্য সর্বদা সচেষ্ট থাকে।

ফি ও পেমেন্ট সংক্রান্ত নীতিমালা
নির্ধারিত ফি সংশ্লিষ্ট মাসের মধ্যেই পরিশোধ করতে হবে। এক্ষেত্রে ২৫০.০০ টাকার কোনো ছাড় বা বিশেষ সুবিধা পাওয়া যাবে না। তবে, অভিভাবকরা চাইলে এবং তাঁদের আর্থিক সামর্থ্য থাকলে মাসিক ফি অগ্রিম পরিশোধ করতে পারেন। পণ্য ও পরিষেবার মূল্যবৃদ্ধির কারণে মাসিক ও বার্ষিক ফি কিংবা অন্যান্য খরচ সময়ে সময়ে বাড়ানো হতে পারে। শিক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে অভিভাবকদের এই ধরনের পরিবর্তন মেনে নিতে হবে। ছুটির সময় কোনো ফি মওকুফ, হ্রাস বা বিশেষ ছাড় দেওয়া হয় না। একইভাবে, অসুস্থতা বা ব্যক্তিগত/পারিবারিক প্রয়োজনে বিশেষ ছুটির ক্ষেত্রেও কোনো আর্থিক ছাড় পাওয়া যায় না। শিক্ষামূলক ভ্রমণ, প্রমোদভ্রমণ এবং অনুরূপ কার্যক্রমের খরচ অভিভাবকদেরই আলাদাভাবে বহন করতে হবে। শিক্ষাবর্ষ চলাকালীন কোনো কারণে কোনো শিক্ষার্থীকে প্রতিষ্ঠান থেকে সরিয়ে নেওয়া হলে, পুরো শিক্ষাবর্ষের সমস্ত খরচ—বিশেষ করে টিউশন ফি এবং সেশন চার্জ—সম্পূর্ণরূপে পরিশোধ করতে হবে। বকেয়া পাওনা পরিশোধ না করা পর্যন্ত হোস্টেল ছাড়ার অনুমতি দেওয়া হবে না। প্রতি শিক্ষাবর্ষের শুরুতে প্রথম মাসের মাসিক ফি-র পাশাপাশি বার্ষিক সেশন চার্জ এবং বার্ষিক পূজা-কালীন চার্জ এককালীন পরিশোধ করতে হবে। এছাড়া প্রযোজ্য অন্যান্য খরচও প্রয়োজন অনুযায়ী পরিশোধ করতে হবে।
